rodonvora e boshonto uwriter club

বইয়ের নাম – রোদনভরা এ বসন্ত

বইঃ রোদনভরা এ বসন্ত
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনঃ অনন্যা
প্রকাশকঃ মনিরুল হক
প্রথম প্রকাশঃ ২০০৩ সাল
প্রচ্ছদঃ ধ্রুব এষ
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯২
মুদ্রিত মূল্যঃ ১৫০ টাকা
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৫ / ৫

কাহিনী সংক্ষেপ

মীরু, মরিয়ম থেকে মীরু। অবশ্য ঐন্দ্রিলা নামটাই তার বেশি পছন্দ। যার একরাত ঘুম না হলেই চোখের নিচে কালি লেপ্টে থাকে, চেহারা অন্যরকম হইয়ে যায়। এজন্য বিয়ের আগের রাতে সে ঘুমানোর চেষ্টা অনেক করে, কিন্তু ঘুমের ওষুধ খেয়েও তার ঘুম আসে না। কারন তাদের বিয়েটা অন্য দশজনের মতো ঘটা করে হচ্ছে না। সে আর তার পছন্দের মানুষ বারসাতের সাথে পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারন সে জানে বারসাতকে মেনে নেওয়ার মতো মানুষ তার বাব না। এছাড়াও তাদের পরিবার অনেকটা ধার্মিক হওয়ায় প্রেম করে বিয়ে তারা মানে না। বিশেষ করে মীরুর ছোট ফুপু সুলতানা এগুলি পছন্দ করেন না। কিন্তু মীরুর সাথে তার সম্পর্কও অতন্ত্য ভালো। অপরদিকে, মীরুর বড় বোন রুনি পছন্দ করে একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল বলে ওই বাড়িতে আর তার জায়গা হয়নি।

পরেরদিন সময়মতো কাজি অফিসে বারসাত উপস্থিত থাকে। মীরুও যাওয়ার জন্য রেডি হয়, কিন্তু ওইদিন ফজরের নামাজের পরেই মীরুর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর বাসায় তারা দুইজন এবং ছোট্ট কাজের ছেলে জিতু মিয়া ছাড়া কেউ ছিলো না। এজন্য মীরুকেই তার বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।
অপরদিকে বিকেল পর্যন্ত মীরুর জন্য অপেক্ষা করে বারসাত চলে যায় এবং বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে পড়ে যায়।

এরপর হাসপাতালে সুলতানা ফুপু মীরুর জন্য তার পছন্দ করা ছেলে নাসেরের সাথে মীরুর পরিচয় করান। যদিও পরিচয়টা অন্যরকম ছিলো। কিন্তু নাসেরকে মীরুর প্রথমে ততোটা ভালো না লাগলেও তার কথাবার্তায় ধীরে ধীরে তাকে ভালো লাগে।

এরপর মীরু বারসাতকে তার বাবার অসুস্থতার কথা জানায় এবং সেজন্যই যে সে আসতে পারেনি সেটা বলে। এরপরে তার তখনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু কাজী অফিসে গিয়ে প্রধান কাজী গিয়েছিলেন ফরিদপুরে মেয়ের বাড়িতে আর দ্বিতীয় কাজি অন্য কোথাও বিয়ে পড়াতে গেছেন।

এরপরে ঠিক করা অন্য একদিনে মীরু কাজি অফিসে গিয়ে বারসাতের জন্য অপেক্ষা করে। কিন্তু বারসাত এলো না।

কেনো এলো না বারসাত?

মীরুর প্রতি প্রতিশোধ নিতেই কি বারসাত কাজী অফিসে আসে না?

কার সাথে বিয়ে হয় মীরুর?

কি হয় নাসেরের?

সব উত্তর আছে বইটিতে।

ব্যক্তিগত মতামত

বেশিরভাগ গল্পের মতোই লেখক কাহিনী পুরোপুরি খোলসা করেন নি। তবে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের অন্য সব বইয়ের মতো এই বইটা ততোটা আকর্ষণীয় মনে হয় নি। এই গল্পের বেশিরভাগ জুড়েই ছিলো কল্পনা, যেটা তেমন ভালো লাগে নি। আর শেষের দিক্অতা খোলসা না করার দিকটা পুরনো হলেও অন্যান্য বইগুলোতে ইন্টারেস্ট থাকলেও এই বইয়ে সেই ইন্টারেস্টতা পাইনি। তবে অবসর সময় কাটানোর জন্য বইটি ভালোই।

About the Author শাহ্রুল ইসলাম সায়েম

বই পড়া আমার শখ নয়, নেশা। সময় পেলেই বই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ি। সেই সাথে কম্পিউটারে MS Word, MS Powerpoint এর কাজ করতে ভালো লাগে। আর বড় হয়ে একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়ার ইচ্ছা আছে।

follow me on:

Leave a Comment: