• You are here:
  • Home »
  • রিভিউ »
da eagle has landed uwriter club

বইয়ের নাম – দ্য ঈগল হ্যাজ ল্যান্ডেড

বইঃ দ্য ঈগল হ্যাজ ল্যান্ডেড
লেখকঃ জ্যাক হিগিন্স (ছদ্মনাম)
হ্যারি প্যাটারসন (আসল নাম)
রূপান্তরঃ ইমতিয়াজ আজাদ।
প্রকাশনঃ আদী প্রকাশন।
প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০১৮ (বাংলা অনুবাদ)।
১৯৭৫ (মূল উপন্যাস প্রকাশকাল)।
প্রকাশকঃ নাফিসা বেগম।
প্রচ্ছদঃ রনক।
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩৮৪।
মুদ্রিত মুল্যঃ ৪৪০ টাকা।
রেটিংঃ ৪.৫ / ৫
অনুবাদের রেটিংঃ ৪.৬ / ৫

কাহিনী সংক্ষেপঃ

নিজের বন্ধু মুসোলিনিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য কমান্ডো পাঠালেন হিটলার, অসম্ভব এই কাজকে সম্ভব করল অটো স্করযেনি নামের এক দুর্ধর্ষ কমান্ডো। স্করযেনির এই সাফল্যে আশাবাদী হয়ে উঠলেন হিটলার। তিনি এবার চেয়ে বসলেন ব্রিটিশ প্রধারমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলকে! ফুয়েরারের (লীডারের) সেই চাওয়া পূরণ করতে, ইংল্যান্ডের নরফোকে প্যারাস্যুট নিয়ে অবতরন করল একদল জার্মান কমান্ডো। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কার্ট স্টাইনার। ঈগল কি ধরে নিয়ে আস্তে পারবে চার্চিলকে? পাল্টে দিতে পারবে মহাযুদ্ধের গতিপথ? নাকি ব্যর্থ হবে তাদের মিশন?

গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রমূহঃ

কার্ট স্টাইনার একজন সাহসী সৈনিক। যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দুর্গম মিশনে সফল হয়েছে। এই গল্পে এক অর্থে তাকে নায়ক বলা যায় আবার আর এক অর্থে তাকে ভিলেন বলা যায়।

হিমলার হলো তৎকালীন রাইখসফুয়েরার। একজন অত্যন্ত কঠোর হৃদয়ের স্বার্থপর একজন মানুষ। যে নিজের কাজের স্বার্থে যেকোনো কিছু করতে দ্বিধা করেন না।

স্টাইনারের পরে যে ব্যাক্তিটির সবথেকে বেশি অবদান রয়েছে এই অভিযানে, সে হলো ম্যাক্স র‍্যাডল। নিজের অনিচ্ছার সত্বেও স্ত্রী আর তিন মেয়ের কথা ভেবে হিমলারের সব কাজ ই করে গেছেন তিনি। এবং ম্যাক্স র‍্যাডলের ব্যাক্তিগত সহকারী হোফারও সহযোগিতা করেছেন যথেষ্ট।

নিউম্যান হলো র‍্যাডলের ব্যাক্তিগত সহকারী এবং অসাধারন একজন সৈনিক। স্টাইনারের সাথে বেশিরভাগ অভিযানেই তার সঙ্গী ছিল নিউম্যান।

লিয়াম ডেভ্লিন হলো এই অভিযানের তৃতীয় প্রধান চরিত্র। অসাধারন দুর্ধর্ষ একজন প্রাক্তন আইরিশ সৈনিক সে। এই অভিযানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুইভাবেই সে তার দায়িত্ব পালন করে। তবে তার চরিত্রগত দিক থেকে সে কিছুটা খারাপ হওয়ায় সেখানকার একটি স্থানীয় তরুণী মলি প্রায়রের (১৭ বছর) সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। (তখন ডেভ্লিনের বয়স ৩৫)। তবে শেষের দিকে মলিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে সফল হয়।

জোয়ানা গ্রে হলো এই অভিযানের গুপ্তচর। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে বার্তা পাঠানোসহ আরও নানাভাবে এই অভিযানের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

তবে অত্যন্ত অল্প সময়ের জন্য এলেও উপন্যাসে বেশ ভালো ভূমিকা রেখেছে কোনিগ, মুলার, গেরিক, বোমলার।

ব্যক্তিগত মতামতঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা এই থ্রিলারটি জ্যাক হিগিন্সের লেখা সত্তরের অধিক বইয়ের মধ্যে সেরা কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অসাধারন কাহিনির বর্ণনার মাধ্যমে কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যারা থ্রিলার বই পড়তে ভালোবাসে তাদের জন্য একেবারে পারফেক্ট একটা বই। অনুবাদক বইয়ের ভূমিকায় লিখেছেলেন যে থ্রিলারের শেষের চমকটা নাকি খুবই অপ্রত্যাশিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পড়ার পরে শেষের থ্রিলটা যখন পড়লাম তখন রীতিমতো হতবাক হয়ে গেলাম। কারন এমন চমক কল্পনাও করতে পারিনি। তবে এই পড়তে সমস্যার মধ্যে একটাই, সেটা হলো চরিত্রের আধিক্য। তবে শুরুতে এই চরিত্রের আধিক্যা থাকার কারনে পড়তে একটু অসুবিধা হলেও শেষ পর্যন্ত তা উসুল হয়ে গেছে।

অনুবাদ ও অনুবাদক নি­য়েঃ

অনুবাদ এবং অনুবাদক নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। নিখুতভাবে সবকিছুর বর্ণনা রয়েছে। এবং বইটিতে অনেক জার্মান শব্দ থাকায় বোঝার সুবিধার জন্য বইয়ের শেষে নির্ঘণ্ট যুক্ত করা আছে।

About the Author শাহ্রুল ইসলাম সায়েম

বই পড়া আমার শখ নয়, নেশা। সময় পেলেই বই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ি। সেই সাথে কম্পিউটারে MS Word, MS Powerpoint এর কাজ করতে ভালো লাগে। আর বড় হয়ে একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়ার ইচ্ছা আছে।

follow me on:

Leave a Comment: